একাত্তরের রাজাকার গেলে কি মুছে যায়
তার মত?
আরো বেগ নিয়ে আসিতেছে ধেয়ে বাংলায় হেফাজত- অজয়দাশ দাশ গুপ্ত
আরো বেগ নিয়ে আসিতেছে ধেয়ে বাংলায় হেফাজত- অজয়দাশ দাশ গুপ্ত
quota birodhi andolonke ke bole eta
shibirer andolon? shibir shibir kore desher obostha sei rakhal baloker moto
hoye cholece... jouktik andolonke shibir bole chaliye dile porinoti aro kharap
hobe
muktijuddhe songkha loghura beshi
bonchito hoyece. muktijuddher poreo sonkhaloghura beshi khotigrosto hoyece.
chakurite sonkhaloghuder jonno quota thaka somoyer dabi
দুই পক্ষই এখন পানি ঘোলা করতে ব্যাস্ত। সংখালঘুদের নিয়ে সব শালারাই
রাজনীতির চাল চালে।
ট্রাম্পের কার্ড মাত্র। ক্ষমতা তার নিজ স্বার্থেই সব অস্ত্র ব্যাবহার করে
মাত্র
ছাত্রলীগই সরকারের জনপ্রিয়তা হারানোর ষোলকলা পূরণ করল
শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এমনিতেই তলানিতে, এখন তারা উলুখাগড়া ধরে কোনরকমে বেঁচে থাকবার চেষ্টায় মত্ত। তাদের জনপ্রিয়তা হারানোর পেছনে মূখ্য কারণ তাদেরই মদদপুষ্ট ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের টেন্ডারবাঁজি, চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। দুঃখ এখানেই যে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে ফেব্রুয়ারির শুরুতে শাহবাগে আন্দোলন শুরু হলে যে আমি শ্যামল সেখানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরিরের সমালোচনা করতে থাকি অথচ সেই আমিই কিনা গতকাল ‘শিবির কর্মী’র অপবাদ নিয়ে কলা ভবনের মূল ফটকে ছাত্রলীগের কর্মীদের বর্বোরোচিত হামলার শিকার হলাম। আমার দোষ/অন্যায় আমি সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। আর ছাত্রলীগের অনলাইন ছাগুমার্কা কর্মীরাও পিছিয়ে নেই। আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ছবি আজ দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশের পর ছাত্রলীগের ছাগুকর্মীরা সমালোচনায় মগ্ন। ছাত্রলীগের দাবি শাহবাগ আন্দোলন সমর্থনকারী দৈনিক প্রথম আলো নাকি এখন দৈনিক আমার দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং আন্দোলনকারীদের সবাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী ও জামাত-শিবিরের কর্মী। আর তাই যদি হয় তাহলে তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু ছাত্রদের একমাত্র আবাসিক হল জগন্নাথ হলের সাধারণ ছাত্ররা শিবির কর্মী কেননা তারা কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন করেছে।( songroho)
শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এমনিতেই তলানিতে, এখন তারা উলুখাগড়া ধরে কোনরকমে বেঁচে থাকবার চেষ্টায় মত্ত। তাদের জনপ্রিয়তা হারানোর পেছনে মূখ্য কারণ তাদেরই মদদপুষ্ট ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের টেন্ডারবাঁজি, চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। দুঃখ এখানেই যে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে ফেব্রুয়ারির শুরুতে শাহবাগে আন্দোলন শুরু হলে যে আমি শ্যামল সেখানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরিরের সমালোচনা করতে থাকি অথচ সেই আমিই কিনা গতকাল ‘শিবির কর্মী’র অপবাদ নিয়ে কলা ভবনের মূল ফটকে ছাত্রলীগের কর্মীদের বর্বোরোচিত হামলার শিকার হলাম। আমার দোষ/অন্যায় আমি সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। আর ছাত্রলীগের অনলাইন ছাগুমার্কা কর্মীরাও পিছিয়ে নেই। আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ছবি আজ দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশের পর ছাত্রলীগের ছাগুকর্মীরা সমালোচনায় মগ্ন। ছাত্রলীগের দাবি শাহবাগ আন্দোলন সমর্থনকারী দৈনিক প্রথম আলো নাকি এখন দৈনিক আমার দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং আন্দোলনকারীদের সবাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী ও জামাত-শিবিরের কর্মী। আর তাই যদি হয় তাহলে তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু ছাত্রদের একমাত্র আবাসিক হল জগন্নাথ হলের সাধারণ ছাত্ররা শিবির কর্মী কেননা তারা কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন করেছে।( songroho)
আমদের জাতীয় জীবনে গুজব ছড়ানোর একটা tendency সাম্প্রতিক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যারা উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য গুজব ছড়াচ্ছে তারা সফলও হয়ে চলেছে। এই
প্রবণতা ১৯৭৫,১৯৭৭এর দিকে ব্যাপকভাবে দেখেছি। এটা খুব ভাল লক্ষন নয়। কোটা বিরোধী আন্দোলন,গাজিপুর সহ ৫ সিটি নির্বাচন, চাঁদে সাঈদির
ছবি- গুজবে কাজ হয়েছিল।এখন গুজব
ছড়ানোরও দুটি পক্ষ খুব ক্রিয়াশীল। মাঝখানে সাধারন মানুষ হচ্ছে এদের টার্গেট।
তিনি প্রকৃত ধার্মিক যিনি একত্বের
মধ্যেই বহুত্বকে বাঁধতে পারেন। ধর্মকে বিচ্ছিন্ন করে রাজনীতি হয়েছে- এটি ভুল।
অবাস্তব।
বাস্তবতা এই, রাজনিতিতে ধর্ম সর্বকালেই একটা ফ্যাক্টর। বঞ্চিত মানুষকে রক্ষা করবার জন্য লাতিন আমেরিকার লোক বিশ্বাসে প্রতীতি ছিল যিশু এবার ফিরে এসেছে চে গুয়েভারা হয়ে।
আধুনিকতার কোনও স্থির সংজ্ঞা নেই, এটি চলমান। আধুনিকতার কিংবা পাশ্চাত্যের দোহাই দিয়ে অনেকেই ধর্মকে রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখাতে চান। ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলেন, কিন্তু ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে কি ধর্মকে অস্বিকার করা? বরঞ্চ আমরা খুঁজি সেই ধার্মিক মানুষ যার কাছে সব ধর্মের মানুষ আশ্রয় প্রশ্রয় পাই।
সক্রেতিস কি ধর্মহীন ছিল? না। তার ধর্ম প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাস থেকে ছিল ভিন্ন।
সব মানুষের জন্য মুলত ধর্ম একটাই- একে আমরাই বিভক্ত করি মাত্র- জাত পাত ভাগ হৈ ।
আমাদের ধর্মীয় চর্চা সকল ধর্মকে ভাগ না করে বরং একে একটি একক সামসটিকতার রূপ দিতে যখন প্রয়াস পাবে মুলত তাখনই আমাদের মুলে ফেরার কাজ শুরু হবে। সে জন্য রাজনীতিতে ধর্মের আনুসাঙ্গিকতাকে অস্বীকার করার উপায় নাই। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই আমাদের মত হতে হবে। অমুকের মত, তমুকের মতো করে নয়।
বাংলাদেশের পাঠ আর ইউরোপ আমেরিকার পাঠ এক নয়। conditioned হওয়া যাবে না। আমাদের নিজস্বা paradigm থেকে বিশ্বকে বিচার করতে হবে।
এই দেশ একের ভিতর অনেক। প্রাচীন ভারতীয় দর্শন তাই বলে। Pluralism in oneness.
আমরা ভাগ্যবান আমরা বাঙালি। বাঙ্গালিত্তের বিশিষ্টতা এর বহুত্তবাদে। আমাদের হিন্দু, আমাদের খ্রিস্টান, বৌদ্ধ আর মুসলমান আমরা এক সাথে থাকি। থাকতে হবে।
একে যে শক্তি ভাঙতে চাইবে, বুঝতে হবে সেটি এই অঞ্ছলের ধর্ম নয়। চরম অধর্ম।
বাস্তবতা এই, রাজনিতিতে ধর্ম সর্বকালেই একটা ফ্যাক্টর। বঞ্চিত মানুষকে রক্ষা করবার জন্য লাতিন আমেরিকার লোক বিশ্বাসে প্রতীতি ছিল যিশু এবার ফিরে এসেছে চে গুয়েভারা হয়ে।
আধুনিকতার কোনও স্থির সংজ্ঞা নেই, এটি চলমান। আধুনিকতার কিংবা পাশ্চাত্যের দোহাই দিয়ে অনেকেই ধর্মকে রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখাতে চান। ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলেন, কিন্তু ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে কি ধর্মকে অস্বিকার করা? বরঞ্চ আমরা খুঁজি সেই ধার্মিক মানুষ যার কাছে সব ধর্মের মানুষ আশ্রয় প্রশ্রয় পাই।
সক্রেতিস কি ধর্মহীন ছিল? না। তার ধর্ম প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাস থেকে ছিল ভিন্ন।
সব মানুষের জন্য মুলত ধর্ম একটাই- একে আমরাই বিভক্ত করি মাত্র- জাত পাত ভাগ হৈ ।
আমাদের ধর্মীয় চর্চা সকল ধর্মকে ভাগ না করে বরং একে একটি একক সামসটিকতার রূপ দিতে যখন প্রয়াস পাবে মুলত তাখনই আমাদের মুলে ফেরার কাজ শুরু হবে। সে জন্য রাজনীতিতে ধর্মের আনুসাঙ্গিকতাকে অস্বীকার করার উপায় নাই। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই আমাদের মত হতে হবে। অমুকের মত, তমুকের মতো করে নয়।
বাংলাদেশের পাঠ আর ইউরোপ আমেরিকার পাঠ এক নয়। conditioned হওয়া যাবে না। আমাদের নিজস্বা paradigm থেকে বিশ্বকে বিচার করতে হবে।
এই দেশ একের ভিতর অনেক। প্রাচীন ভারতীয় দর্শন তাই বলে। Pluralism in oneness.
আমরা ভাগ্যবান আমরা বাঙালি। বাঙ্গালিত্তের বিশিষ্টতা এর বহুত্তবাদে। আমাদের হিন্দু, আমাদের খ্রিস্টান, বৌদ্ধ আর মুসলমান আমরা এক সাথে থাকি। থাকতে হবে।
একে যে শক্তি ভাঙতে চাইবে, বুঝতে হবে সেটি এই অঞ্ছলের ধর্ম নয়। চরম অধর্ম।
আত্ম সংজমের মাস, এই একটা মাস
বাপের বড় পোলার মত ইচ্ছামত খাও-দাও নামাজ পড় আর ঈদ শপিং-এর ব্যাগ ভরো, একটা মাস কামাই
রোজগার করো, বোনাস বাড়াও...
গোটা বিশ্বে ইসলাম এখন আলোচনার বিষয়
হয়ে উঠছে । ওঠাও উচিত। যদি আল্লামা শাফি সাহেবদের মত ধর্মীয় গুরু ইসলামের একমাত্র ফতোয়া দানকারী প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকেন তবে তাকে
প্রমান করতে হবে ক্যামন করে ইসলাম পুরনাঙ্গ জীবন বিধান
দাবি করে। ইসলাম নিয়ে তর্ক উঠুক । ইসলাম
প্রমান করুক এটি আধুনিক এবং সর্বশেষ জীবন বিধান । সময় এসেছে মুসলমানদের প্রস্নবিদ্ধ হবার- প্রমান করুন আপনি উত্তম।
আমার মন ক্যামন করে - মুরশি মিশর, সিরিয়া, বাংলা ভাই , সাদ্দাম,
আল্লামা শাফি, জামায়াত শিবির, বিদায় হজ,
১৯৭১, সিটি নির্বাচন,
গাজীপুর, আমার কর্মক্ষেত্র নায়েম-আমার নিজের পরিবার- সব একই সুত্রে গাথা হয়ে চলেছে। যা চাই ঘটছে
সব তার উল্টা। আমার
মন ক্যামন করে... কে জানে
You are invited to follow my Christian blog
উত্তরমুছুন